“একটা বাবার নির্ঘুম রাত: সন্তানের ব্যথা আর নীরব সম্পর্ক”-
আমার বাচ্চাটা কে ওর মা চলে গেছে, বাচ্চাটা পড়ে গিয়ে গতকালকে রাতে সিঁড়িতে পড়ে গিয়ে অনেক ব্যাথা পাইছে, থুতনিতে গালে হাতে হাঁটুতে ব্যথা পাইয়া অনেক কান্নাকাটি করছে, সারারাত আমি ঘুমাতে পারিনি, শাশুড়িকে ফোন দিয়ে বললাম, বাচ্চার মাকে একটু জানান, তার ছোট ছেলের পরীক্ষা বলে চার মাকে না জানিয়ে, উল্টা জব্দ করার চেষ্টা করে, অতঃপর সকালবেলা তার মাকে বারবার ফোন দেওয়া হয় কিন্তু সে ফোন বন্ধ করে ঘর থেকে বাহিরে যায়, শাশুড়ি আমাকে জানালো বাচ্চার মা জামা বানাতে গেছে,, অতঃপর শাশুড়িকে আবার আমি বললাম বাচ্চার মাকে কি জানানো হয়েছে, তিনি সেই কথা এভোয়েড করে চলে যায় এবং অনেকবার ফোন দেয়ার পরেও সে সেই ফোন ধরেন না। তাকে প্রশ্ন করলাম বাচ্চার মা কি সংসার করতে ইচ্ছুক। সে উল্টা আমাকেই শাসাইতে থাকে। এই অবস্থা চলতেছে প্রায় ছয় মাস। বাচ্চার মাকে সংসার করতে বললে সে বলে বন্ধুর মতো থাকো। স্বামী হয়ে বন্ধুর মত থাকা সম্ভব। বাচ্চাকে জিজ্ঞেস করলে বলে আমি মার কাছে যাব না মা আসতে পারে না। এসব ঘটনার পেছনে রহস্য হচ্ছে রাগ জিৎ ও প্রতিশোধ প্রবণতা। তাই প্রতিটি মা-বাবার উচিত তার মেয়ে সন্তানকে সঠিকভাবে লালন পালন করা এবং বিয়ের পরে শ্বশুর বাড়ি ছাড়া তার আর কোন বাড়ি থাকতে পারবে না সেই শিক্ষায় শিক্ষিত করা। কিন্তু ঢাকার মেয়েরা তার বিপরীত চলে। বিয়ের পরে একটা মেয়ের ফ্যামিলি বলতে তার হাজবেন্ড ও বাচ্চাকাচ্চাকে বুঝায়। আর আমার বউ ফ্যামিলি বলতে তার মা-বাবাকে বুঝায়।দেখতে দেখতে প্রায় দুই বছর বাচ্চাটার পড়ালেখা নিয়ে তালবাহানা শুরু করছে শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। বাকিটা অনেক দূর অনেক কিছু আমার ব্লগে পাবেন।https://b2bangla.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f-%e0%a6…/

