আমার এই লেখাটা শুধুমাত্র একটা চরিত্র বিশ্লেষণ চরিত্রের নামটা উল্লেখ না করে আমি লেখাটা শুরু করতে চাই,
কে মারতে হইলে তাকে ভাতে বা চুরি লাগাতে না মানলেও হয় বা গুলি করে না মানলেও হয় সেই জিনিসটা অনেকেই জানা সত্ত্বেও মানতে পারেনা খেয়াল রাখতে পারে না সে সকল মানুষগুলোকে চিনতে পারেনা, কিন্তু আমাদের আশেপাশে সে সকল মানুষ গুলো এক প্রকার মুখোশের আড়ালে ভদ্রবেশে জীবন যাপন করতেছে – এটা তো আমার জানা একটা কথা ,
অজানার ভিতরে যে জিনিসটা আছে সে জিনিসটা হচ্ছে আমি নিজেই থাকি এরকম একটা মানুষের সাথে যার সাথে জীবনধারণ করার খুবই কঠিন এবং জীবনকে হুমকির সম্মুখীন করে চলা যেরকম সেই রকম একটা পরিস্থিতি পার করে যাওয়া,
আমার দেখা মতে যতগুলা মানুষ এই ভদ্রবেশী ছদ্দবেশী বহুরূপী বিধর্মী বিচ্ছিন্নবাদী অসুস্থ মানুষ মানুষের সন্নিকটে আসার দুর্ভাগ্য করেছে, তাদের প্রত্যেকেরই চলে যেতে বাধ্য হয়েছে যে কেন তা বুঝতে ৩০ বছর পার হয়েছে আমার তবুও বুঝ এখনো হলো না -সত্যি বলতে বুঝ ঠিকই হইছে আমি সেই মানুষ, যে কিনা অসম্ভবকে সম্ভব করার মতন দুঃসাহস করে ছিল. কিন্তু সত্য কথা হলো একটাই যেটা হবার না সেটা হয় না আর যেটা হওয়ার সেটা এমনিতেই হয়. বিশেষ করে ৫০ ঊর্ধ্ব মানুষের নৈতিকতার পরিবর্তন এবং অভ্যাসের পরিবর্তন করা অসম্ভব আমার ধারণা থেকে আমি এটা বললাম,
” আমার বাবা একজন ডক্টর ছিলেন, একজন শিক্ষক ছিলেন, একজন লেখক ছিলেন, একজন কবি ছিলেন, একজন সাংবাদিক ছিলেন, একজন বিজ্ঞানী ছিলেন- তার শেষ বয়সটা আমি খুব কাছ থেকে দেখতে পেরেছি , যে যাই বলুক না কেন আমি আমার লেখাটা সম্পূর্ণ করব আমার বাবার সম্মানে আমি একটু একটু লেখালেখি করি “
আমি যা লিখতেছি এটা কি গল্প নাকি উপন্যাস নাকি সত্য কিছু ঘটনার ব্যাখ্যা আমি তা নিজেও জানিনা তাতে কি যদি আপন নিয়ে আপনি বা আপনার যেকোন মানুষের উপকারে আসে আমার এই কথাগুলো তাহলে আমি মনে করবো আমি আমার ডক্টরের দেওয়া প্রেসক্রিপশন ফলো করতে পারছি.
যাই হোক শুরুটা হচ্ছিল আজ থেকে যেদিন আমি জন্ম হয়েছি সেদিন থেকেই, তাহলে প্রশ্ন হলো কি হইল ব্যাপারটা লেখার কি আছে, করারই বাকি আছে বুঝারই বা কি আছে, -আসলে কিছু নাই, শুরুটা হচ্ছে সেদিন থেকে যেদিন থেকে ধরা খেলো চোখে,
এখন প্রশ্ন হলো কি ধরা খেলো?
প্রথমত ধরা খেলো যেটা এটা স্বভাব নাকি চরিত্র নাকি অভ্যাস এই মানুষগুলো কেন এমন করে, নিজের কোন লাভ নাই এরকম পরিস্থিতিতেও করে, নিজের লাভের জন্য সেরকম অবস্থা তো করে, ওই যে বললাম আনন্দের জন্যও করে, ব্যাপারটা এই জায়গায় জটিল হয়ে যায় যে তারা কেন করে? তাই বলছি এরা এবং এই ধরনের মানুষরা হয় বহুরূপী মিথ্যাবাদী অসামাজিক বিধর্মী,
আমি লেখাটা লেখার জন্য প্রায় অনেক বছর ধরে অপেক্ষা করতেছিলাম এই মানুষের চরিত্রটা বুঝার জন্য 10 থেকে 15 বছর আনুমানিক, কিন্তু আমার কি লাভ আমার একটা লাভ ছিল আমার বাবা কেন, শেষ বয়সে কেমন কেমন জানি করল এই কেমন কেমন ব্যাপারটা শুধু আমি জানি সেটা না হয় অন্য কোন লেখার ভিতর আমি বলবো.-শুধু শুধুমাত্র এতোটুকু বলি তার একটা বই মধুমতি যেটা এখন পর্যন্ত তার একমাত্র সহধর্মিনী প্রকাশ করতে পারল না এতদিনে . কিন্তু আমার কাছে যার ১৮ টা কবিতা ডিজিটাল ভাবে টাইপ করা হয়েছিল আমার.
এই ধরনের মানুষ মানুষকে ভুলায় দিতে পারে তার অভিনয় দিয়ে তার কান্না দিয়ে তার বয়সের ভার বুঝিয়ে তার অপারগতা বুঝিয়ে এবং তার সাজানো মিথ্যার জাল দিয়ে তারা এক পাও আগায় না যতক্ষণ না পর্যন্ত তাদের পরবর্তী প্ল্যান মাথায় সেট না হয় এইটাকে কি আপনারা রোগ বলবেন ? সাধারণ মানুষ এটাকে চতুর ব্রেনি মানসিকতার মানুষ হিসাবে মনে করে, কথাটা কিন্তু মিথ্যা না বা বুঝটাও কিন্তু মিথ্যা না এটাই কিন্তু সত্যি তাদের ব্রেন অত্যন্ত দ্রুত চলে , তারা মৃত্যুর পরে কি হবে সেটা নিয়ে চিন্তা করে না, তারা নিজের স্বার্থের জন্য যেকোনো কিছু করে, এমন একটা মানুষকে যদি আপনার সারা জীবন বয়ে নিয়ে চলতে হয় তখন আপনার কেমন লাগবে আর কি ঘটবে তারই একটা ব্যাখ্যা আমি দিতে চেষ্টা করব এই লেখাতে ,
দুঃখের বিষয় হলেও দেরিতে হলেও শেষ পর্যন্ত ধরা খাওয়ার সময় যখন সন্নিকটে সেই মানুষের এখন সে তার পরবর্তী যে সকল রাস্তা দিয়ে সে চলতে পারবেন মানুষকে বুঝাতে পারবে এবং তার প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং আক্রমণ ক্ষমতা রক্ষা করার জন্য যা যা প্রয়োজন সেই গুলো চিন্তা করে করে বের করাই সেই মানুষের কাজ তাকেই আমি সর্বপ্রথম ইন্টারনেট ব্যবহার করে অর্থাৎ তখন ভাইবার নামে একটা অ্যাপস ছিল সেই অ্যাপসটা কিভাবে ব্যবহার করে বিদেশে কথা বলা যায় তা শিখায়. এবং সেটাই পরবর্তীতে আমার বিরুদ্ধে চরমভাবে ব্যবহার করা হয়. এটা 2014 সাল পর্যন্ত ছিল, এতে বুঝা যায় এই মানুষগুলো মানুষের কৃতজ্ঞতা বোধ স্বীকার করে না এটা তাদের চারিত্রিক গুণ. এই মানুষগুলোকে আমি এতটাই ঘৃণা করি যে এদেরকে আমি কিভাবে বিদায় জানাবো তার ধরন এখন পর্যন্ত আমার মাথায় নাই, তাই এখনো আমি সাথেই আছি এক পা নড়িনা মানুষ যে যাই বুঝুক, আর বলুক না কেন আমাকে,
” এদেরকে বোঝার জন্য একটা উপায় আছে সেই উপায়টা হচ্ছে তাদেরকে চিন্তা করার সময় দেওয়া যাবে না তাৎক্ষণিক খুবই জরুরী ভিত্তিতে তাদেরকে কোন একটা ডিসিশন নিতে নিতে বলতে হবে অথবা প্রেসার করতে হবে এতে কোন কিছু ভাঙতে হলে ভাঙতে হবে ছুড়তে হলে চুদতে হবে সে ক্ষেত্রে তারা হুটহাট কোন ডিসিশন নিতে গেলে সেই ডিসিশনটাকে দেখা যাবে ভুল একটা ডিসিশন যেটা তার অথবা তাদের অবস্থান এবং বয়স কাল পরিস্থিতির উপরে খাপ খায় না”
তাই এমনই একটা মানুষকে ধরার জন্য আমি কিছু আয়না ভাঙচুর দেখলাম সে কাজটা কি করে এবং তাৎক্ষণিক সে সেই ভুলটাই করছে, সে তার নিজের ছেলের নামে বানোয়াট মিথ্যা অভিযোগ করে আসছে তার ছেলের শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে যেখানে ছেলের শশুর বাড়ি থেকে বউকে নিয়ে আসার জন্য সে একবারও যায় নাই.
আরে এমনি বিপদজনক এরা আপনাকে এমন এক ফান্দের ভিতর ফেলে দিবে যে আপনি ডানদিকেও যেতে পারবেন না বামদিকেও যেতে পারবেন না আর নিচে সে দাঁড়িয়ে থাকবে উপর দিকটা খালি আপনার যাওয়ার একটাই রাস্তা উপরে.
উদাহরণস্বরূপ , ধরে না একটা বউ চাচ্ছে না যেই জিনিস সেই জিনিস তার হাসবেন্ডকে শাশুড়ি হিসাবে মুখে না বলেও যে কোন ভাবে বোঝাবে বউ যেটা বলতেছে সেটা করা যাবে না, পরক্ষণে তাদের ভিতরে সাংসারিক দ্বন্দ্ব তৈরি হইলে একজন আরেকজন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে, তখন সে সেটা আর করবে না তখন সে বউয়ের পক্ষে কথা বলবে তা আবার ছেলের অগোচরে . এইটাকে বাংলাদেশের ভাষায় গুটিবাজি বলে অর্থাৎ তারা কিন্তু গুটিবাজিতে এক্সপার্ট –
তাহলে কি গুটিবাজি একটা রোগ ? এ ব্যাপারে পরে আসতেছি
এবং ছেলেকে সেই মুহূর্তে বউয়ের কাছে সম্পূর্ণরূপে দূরত্ব তৈরি করে দিল এমন করে ৭-৮ দিন পর্যন্ত সে এই সত্যটা লুকায় রাখে, এটা এক ধরনের বীজ বোনা মানুষের মনের ভিতর যেটা পরে ফল দিবে সেই ফল সে পাকলে ইচ্ছামত পায়রা খাবে এই কারণে.
” আরেকরকম কাজ তারা করে কোন একজন মানুষ মানুষের দুর্নাম করতে থাকে যখন তার মতনই সেই মানুষটির সাথে দুর্নাম করা শুরু করে তার সাথে থাকা মানুষগুলো তখনই সেই মানুষের সাথে সে অপর যেই মানুষটিকে দূর নামের ভাগী হতে হলো সেই মানুষের কানে যা বলবে আমার পাশে থাকা মানুষটি আপনাকে খারাপ জানে আপনার দুর্নাম করতেছে তখন সে তার কাছে ভালো হয়ে যাবে মাঝখানে তার সাথে যারা থাকবে সে সকল মানুষগুলো তার মত দুর্নাম করতে শুরু করলেই ধরা খাবে” অর্থাৎ আপনি যদি তার সাথেও থাকেন তাহলেও বিপদে পড়বেন তার সাথে হহ করলেও বিপদে পড়বেন তার নাকুর তার সাথে না না করলে আপনি থাকতেই পারবেন না সে খুঁজে নিবে একের পর এক একের পর এক মানুষ যারা তার সাথে হহ করবে আর সেই সব মানুষগুলো করতে করতে আপনার কাছে আপনাকে বিরক্ত করে ফেলবে সে রকম মানুষ এসে খুইজা বেড়ায় কিন্তু তারা ক্ষণস্থায়ী তারা বেশিদিন থাকতে পারেনা একমাত্র আমার এক কাজের বুয়া ছাড়া. এই কাজের বুয়া টা কতটুক গভীর জলের মাছ সেইটা বুঝার জন্য আমি গেছিলাম অনেক দূর চিন্তা করতে করতে গভীরে যাইয়া প্রশ্ন করলাম নিজেকে তারপর খুজে বের করলাম একটা ছেলে তার ছোট ছেলে তাকে দেখলেই বুঝা যাবে যে তার গভীরতা কতটুকু. তার গভীরতা নির্ভর করে কেন ছেলের উপর, কারণ ছেলের বয়স কম ম্যাচুরিটি বেশি সেটা অল্পতেই চোখে ধরা পড়ে কারণ মানুষ তো আর আয়না সাথে নিয়ে চলে না মানুষের আয়না হচ্ছে আরেকটা মানুষের চোখ. আর বয়স্ক যেই ভুয়া সে তো অভ্যস্ত তাই তাকে চেনার জন্য আমি তাকে দেখে কিছুই বুঝতে পারি নাই.
এমন এক পরিস্থিতিতে আমার বউ হতাশ এমন একজন মানুষের সাথে থাকার সাহস হারায় ফেলছে যেখানে আমি অনেকটা দিন এতগুলো বছর কাটাইছিলাম তাকে চিনতে বুঝতে যে তার মতন মানুষকে আমি অন্য একজন অন্য একজন মানুষের হাতে অবশেষে তুলে দিব এতে আমার কিরকম সমস্যা হইতে পারে অথবা কি হবে এর পরিণতি. অবশেষে আমি সিদ্ধান্ত নিলাম আমি আমার বয়সের সাথে সাথে আমার বউ বাচ্চাকে গুরুত্ব দিয়ে সম্মান দেওয়াটা একান্ত প্রয়োজন সে দিকটা খেয়াল না রাখলে এই সংসার ভেঙে যাবে এখনো সময় থাকতে তাকে বোঝানো দরকার যে তার হাতে এখন সবকিছু ছেড়ে দেওয়ার সময় এসেছে. আমি এই বয়স্ক অসামাজিক মানুষকে নিয়ে ক্লান্ত তার আগেই তার সিদ্ধান্ত এই টাইপের মানুষের আশেপাশে থাকবে না. তাকে বারবার আনা হয় আর সে বারবার এই সমস্যা দেইখা একই জিনিস বারবার হয় আমি ধরতে পারিনা আমি অন্য মানুষকে থাকি যার কারণে সে বাসা ছেড়ে বারবারই চলে যায়. এই সমস্যাটিকে মানুষ বিভিন্নভাবে বিভিন্ন কিছু ব্যাখ্যা করেছে কেউ বলেছেন খারাপ ভালো-মন্দ সমস্যা নষ্ট অনেক কিছুই উক্তি করছে কিন্তু আমি মূলত জানি বলেই এই বিষয়টিকে এত গুরুত্ব দিয়ে এই রোগটিকে ধরতে এত আগ্রহী এবং তাড়াতাড়ি আমার এই রোগের ট্রিটমেন্ট বের করে আমার বউ এবং বাচ্চাকে বাচ্চার দিকে নজর দিয়ে সুখে শান্তিতে থাকা তে হবে যেটা আমার বউ অনেক আগে চিন্তা করছে সেটা হচ্ছে তার থেকে 100 হাত দূরে থাকার ছাড়া কোন উপায় নাই কিন্তু আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি তার সাথেই থাকতে হবে দরকার হলে মেডিসিন ইন্ডিয়া থেকে আনতে হবে.
